ব্রেকিং নিউজ
জামালপুর এনডিইএ’র নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা, নেতৃত্বে সোহানুর রহমান ও নয়ন মিয়া সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসকের সঙ্গে পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময় রংপুরে এনডিইএ’র নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা,নেতৃত্বে মোঃ শাহাদাত হোসেন সৈকত ও মো: শাহাদাৎ হোসেন বাবা সাংবাদিক, সন্তান হৃদরোগে আক্রান্ত—রিহানকে বাঁচাতে মানবিক আবেদন বাজুয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা সাপাহারে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা
×

মাওলানা আবুল কাশেম
প্রকাশ : ১৬/৩/২০২২ ৯:১৫:৩৮ PM

পশ্চিম বাংলার তিন গুনি ব্যক্তিকে বিবেক সম্মাণনা প্রদান

দেশে প্রতিবছরের ন্যায় এবারেও একুশে গ্রন্থমেলার আয়োজন করা হলেও এবছর করোনার কারণে প্রতিবছরের মতো ১লা ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু না করে মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে শুরু করে মার্চ মাসের ১৭ তারিখ পর্যন্ত চালিয়ে নেবার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বলা যায় চলমান গ্রন্থমেলার প্রায় শেষ সময় এখন।

শত কিছুর পরেও প্রতিবছরের মতো এই মেলা উপলক্ষে দেশের বাইরে থেকে অনেক লেখক, সাংবাদিক ও বই প্রেমিদের আগমন ঘটেছে। 

বিশেষ করে এপার বাংলা - ওপার বাংলা দুই বাংলার শিল্প সাহিত্য এবং সংস্কৃতির মধ্যে কোনো অমিল না থাকায় দুই বাংলার এমন আয়োজনে অনেকটাই যেন নিজেদের নাড়ির টানেই সবার মধ্যে দৌড়ঝাপ চলে।

এবছর পশ্চিম বাংলার নদীয়া জেলা থেকে এসেছিলেন কবি-সাহিত্যিক রাজু শেখ, নদীয়ার সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক পুলক বোস, নদীয়ার নির্ভীক সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক তাপস মোদক। 

এবছর একুশে গ্রন্থ মেলায় বিবেক (মিডিয়া এন্ড পাবলিকেশন) এর স্টলে তিন গুনিজনকে আনুষ্ঠিনিকভাবে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করা হয়।

এসময় জাপান থেকে প্রকাশিত প্রথম অনলাইন বাংলা পোর্টালের সাহিত্য সম্পাদক এবং বিবেক পাবলিকেশনের দায়িত্বে থাকা প্রতিনিধি রীতা আক্তার এবং প্রতিনিধি কাদের সিদ্দিকী উক্ত গুণী তিন ব্যক্তির হাতে বিবেক এর পক্ষ থেকে সম্মাণনা তুলে দেন।

এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন নর্দার্ন ইউনসিভার্সিটির পরিচালক লুৎফর রহমান জয়, ইউ টিউব চ্যানেল বিডিসি নিউজ এর কর্ণধার।  টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ঢাকা এর অধ্যপক কামরুন নাহার সহ আরো অনেকে।

বিবেকবার্তার সম্পাদক এবং বিবেক পাবলিকেশনের প্রকাশক জাপান প্রবাসী লেখক-সাংবাদিক নিজেও একজন সাহিত্যমনা মানুষ। প্রতিবছর তিনি এই বইমেলা উপলক্ষে জাপান থেকে মেলার প্রতি আশক্ত হবার কারণে দেশে আসেন। এবছর করোনার কারণে তিনি দেশে আসতে পারেননি।

তারপরেও তিনি ওপার বাংলার গুনি তিন ব্যক্তিকে তার প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সম্মাণিত করার মাধ্যমে দুই বাংলার মেল বন্ধন আরো দৃঢ় করার যাত্রা শুরু করেছেন। 

জাপান থেকে লাইভে তিনি এই আয়োজন উপলক্ষে সবার উদ্দেশে বলেছেন, শিল্প - সাহিত্যের মাধ্যমে আমাদের সকলের মধ্যে আরো প্রসার ঘটুক, দুই বাংলার মানুষদের মাঝে সম্পর্ক হোক দৃঢ় এবং অটুট থাকুক আরো দীর্ঘ সময় সেই প্রত্যাশা আমাদের সর্বদা। নতুন নতুন লেখক, পাঠক ও প্রকাশক তৈরির প্রয়াশে সকলের মাঝে।

সুসম্পর্ক গড়ার জন্য উদ্যোক্তার তৈরী হোক দুই বাংলাতে এমনটাই আশা রাখেন পি আর প্ল্যাসিড।